Tuesday, September 11, 2012

Rasma Vabi kingba Mami (রেশমী ভাবী কিংবা মামী)


তোমার নাম রেশমী। এই নামে তোমাকে আমি কখনো ডাকিনি। ডাকতে পারিনা। কারন বয়সে ছোট হলেওতুমিসম্পর্কে আমার মুরব্বী। অসম সম্পর্ক। তুমি আমার খুব প্রিয় একজনের আত্মীয়া। সেই প্রিয়জনটিও আমারসাথেঅসম সম্পর্কে বাঁধা। তাকে নিয়েও আমি অনেক লিখেছি। তোমাকে নিয়ে আজ প্রথম লিখছি। তোমাকে আমিতুমিবলে ডেকেছি জানলে তুমি কি চমকে উঠবে? তোমাকে আমি একাধারে ভাবী ডাকতে পারি, অন্যদিকে মামীডাকতেপারি। তুমি আমার দুই সম্পর্কের দুরত্বে বাধা। এই দুরত্বটুকু না থাকলে আমি বোধহয় তোমাকে অনেক কাছেজড়িয়েনিতাম। এই পৃথিবীর কেউ জানে না তোমাকে প্রথম দেখার প্রথম মুহুর্ত থেকে আমি হলফ করে বলতে পারিতোমারমতো এত সুন্দর হাসি আমি কখনো দেখিনি। হ্যাঁ রেশমী ভাবী কিংবা মামী। আমি তোমার হাসির ভক্ত সেইপ্রথম দিনথেকেই। তোমার ওই হাসির সাথে তুলনা করা যায় এমন উজ্জল কোন উপমা আমার জানা নেই। আমি শুধুজানিতোমার সেই হাসিটিকে আমি ভালোবেসেছি। প্রবলভাবে ভালোবেসেছি। তোমার আর কী যোগ্যতা আছে তাআমারবিচার্য নয়। তোমার যৌবন উপচে পড়ছে কিনা, আই ডোন্ট কেয়ার। তুমি শিক্ষাদীক্ষায় কতটা উন্নতসংস্কৃতিবান, আমি বুঝতেও চাই না। আমি শুধু তোমার হাসিটাকে ভালোবাসি। আমি চিৎকার করে সারা পৃথিবীকেবলতে চাই, তোমার চেয়ে সুন্দর হাসি আর কোথাও দেখিনি আমি। তোমাকে বিয়ে করেছে অন্যজন, নাহয় আমিতোমার হাসিকেবিয়ে করতাম। তোমার হাসিকে। এখনো কি তোমার হাসিকে বিয়ে করতে পারিনা আমি? হাসিকে কিবিয়ে করাযায়? যদি যেতো, আমি তোমার হাসিকে বিয়ে করতাম। পাগল আমি? বলতে পারো। তোমার হাসির জন্যদুনিয়াশুদ্ধপাগল হয়ে যেতে পারে। রেশমি আমি তোমাকে ভালোবাসতে চাই, তুমি না কোরো না। তুমি অন্যের স্ত্রী, তুমিদুসন্তানের জননী, তাতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না, আমি তোমাকে কেবল ভালোবাসতে চাই, আমাকেভালোবাসতেদিও, প্লীজ। আচ্ছা আমরা কি চুপিচুপি প্রেম করতে পারি না? ধরো কোন এক নির্জন দুপুরে আমি তোমারবাসায়গেলাম। বাসায় আর কেউ নেই।



-মামা আপনি, এই সময়ে?

-এই সময়ে আসতে মানা নাকি

-না তা হবে কেন, কিন্তু মামা তো কখনো আসেন না এদিকে, আমাদের ভুলে গেছেন।

-ভুলবো কেমনে, আসার উসিলা পেতে হবে তো।

-উসিলা লাগবে কেন, এমনি আসা যায় না?

-বাসায় সবাই কেমন আছে,

-ভালো, তবে সবাই বাইরে, আপনার দুর্ভাগ্য হি হি হি

-মামী আপনি এত সুন্দর করে হাসেন, আমার.......

-কী, আপনার?

-নাহ বলবো না,

-বলেন না মামা, প্লীজ।

-আপনার ওই হাসিটা জন্যই আমি আসিনা

-কেন কেন? আজব তো

-খুব আজব, কিন্তু খুব সত্যি।

-আমার হাসিতে কী সমস্যা

-বলবো?

-বলেন

-নাহ মামীকে এসব বলা ঠিক না

-আহা আমি তো আপনার ভাবীও তো

-ভাবী.....হুমম, ভাবীকে অবশ্য বলা যায়।

-বলেন

-তবে.......ভাবীর চেয়েও যদি শুধু রেশমী হতো, তাহলে বেশী বলা যেত।

-হি হি হি কী মজা, ঠিক আছে রেশমীকে বলেন।

-কিন্তু রেশমী যদি রাগ করে?

-রেশমি রাগ করবে না

-কথা দিলা

-দিলাম

-তুমি করে বললাম, খেয়াল করেছো

-করেছি,

-রাগ করেছো

-না

-খুশী হয়েছো?

-হয়েছি

-তুমিও বলবে

-কী

-তুমি করে

-বলবো

-বলো

-তুমি

-আরো

-তুমি খুব হ্যান্ডসাম

-তুমি খুব সুন্দর রেশমী, তোমার হাসিটা আমার বুকের ভেতর এত জোরে আঘাত করে

-সত্যি

-হ্যা সত্যি।

-মামা

-আবার মামা

-তোমাকে কি ডাকবো

-তোমার যা খুশী

-নাম ধরে?

-ডাকো

-অরূপ

-বলো, আমি কেন তোমার জন্য এমন করি

-কী করো

-তুমি আমার কত দুরের, অথচ তোমাকে দেখলে কেমন অস্থির লাগে। তোমার কাছে আসার জন্য এমন লাগে

-রেশমী

-বলো

-তোমার জন্যও আমার একই লাগে। আমাদের কী হয়েছে

-আমি জানি না। আমি তোমার কাছে বসি?

-বসো

-তোমার হাত ধরি?

-ধরো

-তোমার বুকে মাথা রাখি?

-রাখো

-আমাকে জড়িয়ে ধরো

-ধরলাম

-আমাকে আদর করো

-আসো



আমি রেশমীকে বুকে জড়িয়ে নিলাম। বুকের মধ্যে এমন চাপ দিলাম, ওর নিঃশ্বাস বন্ধ হবার দশা। তারপর ওরঠোটেচুমু। কোমল দুটি ঠোট আমার ঠোটের স্পর্শ পাওয়া মাত্র জেগে উঠলো। আমরা পাগলের মতো দুজন দুজনেরঠোটকেচুষতে লাগলাম। ঠোটে ঠোটে আদর করতে করতে গড়িয়ে পড়লাম নীচে কার্পেটের উপর। আমি ওর গায়েরউপর উঠেগেলাম। আমার মুখটা গলা বেয়ে নিচের দিকে নেমে এল। শাড়িটা সরে গিয়ে ব্লাউসের উপরাংশ দিয়ে দুইশুভ্র স্তনেরকিছু অংশ দেখা যাচ্ছে। ভেতরে একজোড়া কবুতর থরথর কাপছে যেন। আমি দুস্তনের দৃশ্যমান অংশেনাকটাডোবালাম। দুটি হাত দুটি স্তনকে মুঠোর মধ্যে চেপে ধরলো। বললাম, রেশমী খাবো? রেশমী বললো, খাও।আমিব্লাউস খুলে ব্রাটা নামিয়ে দিলাম। মাখনের মতো তুলতুলে দুটি স্তন। এ যে দুই বাচ্চার মা বোঝার মতো না।আসলে দুবাচ্চার মা হলেও রেশমীর বয়স মাত্র সতের বছর। সতের বছর বয়সী একটা তরুনীর শরীর এরকমই হবারকথা।আমি রেশমীর সতনে মুখ দিলাম। নরম বোটা। ডান বোটটা মুখে নিয়ে চুষতেই দুমিনিটের মাথায় ওটা শক্ত হয়েগেল।বুঝলাম ওর উত্তেজনা চরমে। হাপাচ্ছে। প্রেমাসক্ত দুজন এখন কামাসক্ত। স্তন চুষছি আর ভাবছি কতদুরযাবো।বাসায় কেউ নেই। ঘন্টাখানেক ফ্রী। রেশমী কতটা চায়। জিজ্ঞেস না করে দুপায়ে ওর দুপা ঘষতে ঘষতে শাড়িটাহাটুরউপর তুলে দিলাম। সায়াটাও। হাটু দিয়ে সায়াটাকে আরো উপরে তুলে দিয়েছি। ওর ফর্সা উরু দেখা যাচ্ছ।আমিমুখটা উরুতে নামিয়ে চুমু খেলাম। হাটুর উপর থেকে ভেতর উরুর দিকে মুখটা আনা নেয়া করছি। আর ভাবছিওই দুইউরুর মাঝখানে যাবো কিনা। আর না এগিয়ে উপরে চলে গেলাম। ঠোটদুটো আবার নিলাম, দুহাতে দুই স্তন।পিষ্টকরছি দুই হাতে। তুলতুলে আরাম।

-রেশমী

-তোমার কেমন লাগছে

-অপূর্ব, তুমি এত ভালো আদর জানো!

-তুমি এত সুন্দর

-আমাকে কখনো কেউ এমন আদর করেনি।

-রেশমী

-বলো

-আমরা কতদুর যাবো

-তুমি কতদুর চাও

-আমার কন চাওয়া নেই, আমার সব পাওয়া হয়ে গেছে

-আমারো

-বাকীটুকু না করে শেষ করবো?

-বাকীটুকু করতে চাও তুমি

-তুমি চাইলে করবো

-বাকীটুকু করলে কেমন লাগবে?

-আমি জানিনা

-আমি এর বেশী কল্পনা করিনি

-এই টুকু কল্পনা করেছো

-হ্যা এইটুকু

-আমি তো এতটুকুও কল্পনা করিনি

-আমার খুব ভালো লেগেছে আজ।

-তোমাকে আদর করতে আমারো ভালো লেগেছে

-বাকীটুকু থাক তাহলে

-আজ থাক

-অন্যদিন হবে

-তুমি চাইলে সব হবে

-তুমি আমার সব চাওয়া পুরন করবে

-করবো, তুমি যখন চাও আমাকে পাবে

-রেশমী

-কী

-বুকে আসো



রেশমীর অর্ধনগ্ন অপুর্ব সুন্দর শরীরটা জড়িয়ে নয়ে শুয়ে রইলাম আমি। আমার হাত ওর কোমল স্তনগুচ্ছ নিয়েখেলাকরছে নির্ভয়ে। আমি আজ রেশমীকে পেলাম।

No comments:

Post a Comment